ঢাকা
৩০ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
থার্ড টার্মিনাল চালুতে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন : বিমানমন্ত্রী জিসান হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা-জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে : রাষ্ট্রপতি ট্রেনে সুটকেসে নারীর খণ্ডিত মরদেহ, ২৪ দিন পর গ্রেপ্তার দম্পতি ভূমি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন ভূমিমন্ত্রী সাগর-রুনি হত্যায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির যোগসূত্রের তথ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু নেপালে বন্যার ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩ দিন, জীবিত উদ্ধার ৬ বছরের শিশু চিকিৎসা শেষে ২ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

ভূমি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন ভূমিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬   ৭ বার পঠিত
ভূমি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন ভূমিমন্ত্রী

ছবি: -সংগৃহীত

ই-নামজারি ও অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের ব্যবস্থা চালুর পরও সাবরেজিস্ট্রি ও ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়ে না—এমন অভিযোগ সংসদে তুলেছেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ। একই সঙ্গে ভুয়া দলিলের মাধ্যমে খাসজমি ও সংখ্যালঘুদের জমি দখলের সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া ও তাদের তালিকা প্রকাশের বিষয়ে জানতে চান তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুর কাছে এসব বিষয়ে জানতে চান সুলতানা আহমেদ।

জবাবে ভূমিমন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ে কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তাদের কার্যক্রম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ অনলাইনে জানানোর জন্য ‘ভূমিসেবায় অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম’ চালু করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় পাওয়া অভিযোগগুলো নিয়মিত নিষ্পত্তি করা হচ্ছে এবং অভিযোগকারীদের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রিভ্যান্স রিড্রেস সিস্টেমের (জিআরএস) মাধ্যমেও অভিযোগ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের হটলাইন ১৬১২২ নম্বরে ফোন করেও ভূমিসেবা সংক্রান্ত অভিযোগ জানানো যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

খাসজমি দখলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকদের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সরকারি খাসজমি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। কোথাও খাসজমি অবৈধভাবে দখল হলে তা উচ্ছেদ করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।

ভুয়া দলিল তৈরিকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের দলিলের মাধ্যমে খাসজমি কিংবা সংখ্যালঘুদের জমি দখলের ঘটনা ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তবে সংসদ সদস্যের উত্থাপিত ঘুষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কতজন কর্মকর্তা বা তহসিলদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাদের কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে কিংবা খাসজমি ও সংখ্যালঘুদের জমি দখলের ঘটনায় কতজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে—এসব বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান বা তালিকা সংসদে তুলে ধরা হয়নি।