তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া উ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাইপেতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তাইওয়ানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশটির সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় অবদান রাখার সুযোগ দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত।

রয়টার্স জানায়, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তিন দিনের বৈঠক শুক্রবার শেষ হয়েছে। বৈঠকে তাইওয়ানসহ বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও বড় কোনো অগ্রগতির ঘোষণা আসেনি।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ দাবি করে। তাইওয়ান বেইজিংয়ের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে নিজস্ব সরকার ও সামরিক ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

গত ডিসেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। আরও প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি প্রস্তাবিত রয়েছে। তবে গত মে মাসে ট্রাম্প একটি অস্ত্র প্যাকেজের সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড পারডিউ জানিয়েছেন, তাইওয়ান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অন্যদিকে চীন আবারও তাইওয়ানকে নিজেদের ‘মূল স্বার্থের’ অংশ এবং ‘লাল রেখা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। ফলে শি-ট্রাম্প বৈঠকের পরও তাইওয়ান ইস্যুতে দুই দেশের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।