তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে পানিতে ডুবে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ঢাকা জেলা নৌপুলিশের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, বুধবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নৌপুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, মরদেহের শরীরে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নৌপুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসতে থাকার খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধারের সময় তাঁর পরনে সাদা পাজামা ও কালো জামা ছিল। হাতে থাকা ঘড়ি ও পকেটে পাওয়া আইফোনের সূত্র ধরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।