ঢাকা
১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম
অবশেষে জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির সম্ভাবনা কক্সবাজার সৈকত আকস্মিক পরিদর্শনে রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ তিন প্রতিমন্ত্রী টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি বিনিয়োগ, ঋণনির্ভরতা কমানোয় জোর এটি একটি ইনক্লুসিভ বাজেট, সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী সীমান্তে শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকার বিজিবি-বিএসএফের উড্ডয়নের ঠিক আগে দিল্লিগামী বিমানে বোমা আতঙ্ক ইতিহাস গড়লেন ইলন মাস্ক, বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে রেকর্ড দেশের ৮ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে এলেন দীনেশ ত্রিবেদী, উষ্ণ অভ্যর্থনা ট্রাম্পের হঠাৎ ঘোষণা, আজ থেকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট আজ, সংকট সামলানোর লক্ষ্যে তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬   ১৮ বার পঠিত
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট আজ, সংকট সামলানোর লক্ষ্যে তারেক রহমান

ছবি: -সংগৃহীত

মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি ও বিনিয়োগ স্থবিরতার চ্যালেঞ্জের মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি।

এটি শুধু নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক পরিকল্পনাই নয়, বরং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের রূপরেখা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। সরকার একদিকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, কৃষক ও পরিবারভিত্তিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে; অন্যদিকে বিশাল বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব আহরণ ও ঋণনির্ভর অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান পূরণে প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হবে, যার বড় অংশই ব্যাংক ঋণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী এবং তা অর্জন না হলে অর্থনীতিতে ঋণের চাপ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া হলে বেসরকারি বিনিয়োগও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, শিল্পে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে সরকারকে। বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোর ওপর।

অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে আরও সময় লাগবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।টিনিচ্যালেঞ্জ

মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি ও বিনিয়োগ স্থবিরতার চ্যালেঞ্জের মধ্যেই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ বেশি।

এটি শুধু নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক পরিকল্পনাই নয়, বরং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের রূপরেখা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। সরকার একদিকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, কৃষক ও পরিবারভিত্তিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে; অন্যদিকে বিশাল বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব আহরণ ও ঋণনির্ভর অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে ব্যয় ও আয়ের ব্যবধান পূরণে প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হবে, যার বড় অংশই ব্যাংক ঋণ ও বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী এবং তা অর্জন না হলে অর্থনীতিতে ঋণের চাপ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া হলে বেসরকারি বিনিয়োগও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, শিল্পে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেই নতুন বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে সরকারকে। বিশ্লেষকদের মতে, বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ পুনরুদ্ধার এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোর ওপর।

অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে আরও সময় লাগবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

June 2026
S M T W T F S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930