ঢাকা
৩১ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
অনলাইন ব্যবসা তদারকিতে ই-কমার্স কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ খুলনায় অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড, পাশে জুবাইদা রহমান থার্ড টার্মিনাল চালুতে অতিরিক্ত ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন : বিমানমন্ত্রী জিসান হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা-জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে : রাষ্ট্রপতি ট্রেনে সুটকেসে নারীর খণ্ডিত মরদেহ, ২৪ দিন পর গ্রেপ্তার দম্পতি ভূমি অফিসে দুর্নীতির অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানালেন ভূমিমন্ত্রী সাগর-রুনি হত্যায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির যোগসূত্রের তথ্য হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু নেপালে বন্যার ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩ দিন, জীবিত উদ্ধার ৬ বছরের শিশু

তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি, রংপুর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা, নিম্নাঞ্চলে সতর্কতা

ডেস্ক রিপোর্ট
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬   ২০ বার পঠিত
তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি, রংপুর অঞ্চলে বন্যার শঙ্কা, নিম্নাঞ্চলে সতর্কতা

ছবি: -সংগৃহীত

উজানে ভারতের অরুণাচল প্রদেশে ভারি বৃষ্টিপাত এবং দেশের অভ্যন্তরে টানা অতি ভারি বৃষ্টির ফলে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারসহ প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে, ফলে উত্তরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত রংপুর অঞ্চলে প্রায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। একই সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি আরও বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। ইতোমধ্যে নদীতীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের একটি অংশ ভেঙে পড়ায় স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রায় ১৫০ মিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেতু এবং রংপুর–লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের মতে, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষ চলাচল করেন।

পাউবো’র ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, রোববার সকালে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকলেও দুপুরের দিকে তা কিছুটা বেড়ে বিপৎসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খোলা রাখা হয়েছে।

এদিকে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। পানি বাড়তে থাকলে ফসলি জমি, বীজতলা এবং বসতভিটা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, পানির দ্রুত বৃদ্ধির কারণে আমন ধানের বীজতলা এবং বাদামসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা থাকলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

পাউবো কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।