https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
মালয়েশিয়া সফর শেষ করে এবার চীন সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী সোমবার বিকেলে মালয়েশিয়া থেকে তিনি বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন বলে জানা গেছে। এই সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের আঞ্চলিক কূটনীতি ও চীনের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে চীন বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের এই সফরকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, মালয়েশিয়া সফর শেষে তারেক রহমান চীন সফরে গিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক, বিনিয়োগ, অবকাঠামো সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চীন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে আসছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্কের ধারাবাহিকতাকে তারা একটি কৌশলগত অবস্থান হিসেবে দেখছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে। চীন সফর সেই ভারসাম্য কৌশলেরই অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। এতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে, পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।