https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
রাজধানীর পল্লবী থানার একটি মামলায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পল্লবী থানার একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সুব্রত দেবনাথ জানান, সোমবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে মিরপুরের ইসিবি চত্বরে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের কর্মকর্তারা প্রথমে সাহেদকে আটক করেন। বিষয়টি ট্রাফিক পুলিশের নজরে এলে উভয় পক্ষকে ইসিবি ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়, চেক জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা পল্লবী থানার একটি মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে সাজাসহ আদালতের পরোয়ানা রয়েছে। বিষয়টি যাচাই করে পল্লবী থানা পুলিশও পরোয়ানার তথ্য নিশ্চিত করে। পরে দুপুর ১টার দিকে পল্লবী থানা পুলিশের একটি দল ক্যান্টনমেন্ট থানায় এসে সাহেদকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
মোহাম্মদ সাহেদ ২০২০ সালে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া সনদ প্রদান, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন। ওই বছরের ৬ জুলাই র্যাব রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালিয়ে পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দেওয়ার প্রমাণ পায়। পরদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে হাসপাতাল ও এর প্রধান কার্যালয় সিলগালা করা হয় এবং সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
এরপর ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় সাতক্ষীরা থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘ সময় বিভিন্ন মামলায় কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা ছিল। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তিনি কারামুক্ত হন।