https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের সব শিল্পকারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাই করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার (৩১ জুলাই) থেকে কারখানাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ রয়েছে।
কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া হয়, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। কাঁচামালের সংকট, এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারা এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকায় উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এস আলম সুগারের শিফট ইনচার্জ প্রকৌশলী মো. হাসমত আলী জানান, কাঁচামালের সংকটের কারণে গত দুই বছর ধরে কারখানার উৎপাদন প্রায় বন্ধ ছিল। কাজ না থাকলেও এতদিন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তা আর সম্ভব হচ্ছে না। তিনি জানান, শুধু এস আলম সুগার থেকেই ৩৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পরিশোধ করা হচ্ছে।
বন্ধ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে এস আলম সুগার, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন, ইনফিনিটি সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, চেমন ইস্পাত, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস-এনওএফ, এস আলম স্টিল এবং এস আলম ব্যাগ।
শ্রমিকদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার নোটিশ বোর্ডে ছাঁটাই হওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা টানিয়ে দেওয়ার পর বিভিন্ন কারখানায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
কারখানা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ব্যাংকিং জটিলতা ও কাঁচামাল আমদানিতে বাধার কারণে দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। মজুত কাঁচামাল দিয়ে সীমিত পরিসরে কিছু কার্যক্রম চললেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) রফিকুল ইসলাম বলেন, উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ থাকায় ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কর্মরতদের অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
| S | M | T | W | T | F | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | ||||||
| 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 |
| 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 |
| 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 |
| 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 |
| 30 | 31 | |||||