ঢাকা
০২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
‘আয়নাঘরের’ দেয়াল ফ্যাসিবাদের ভয়াবহতার সাক্ষী : চিফ প্রসিকিউটর এনআইডি সংশোধন ও হারানো কার্ড তুলতে নতুন ফি নির্ধারণ ২৯ অক্টোবর যোগদান করবেন প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ সহকারী শিক্ষক কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় পর্যটকের মৃত্যু সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের টিএফআই সেল পরিদর্শন করলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা চক্রান্ত নয়, দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে মার্কিন বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮৪০

সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১,৩৮৪ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬   ৪ বার পঠিত
সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১,৩৮৪ জন

ছবি: -সংগৃহীত

গত সাড়ে ছয় বছরে রাজধানী ঢাকায় ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পথচারী ও মোটরসাইকেল আরোহী।

শনিবার (১ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দুর্ঘটনার এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী ও ১৩১ জন শিশু। মোট নিহতের ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ পথচারী, ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ মোটরসাইকেল আরোহী এবং ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাস, রিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের চালক-যাত্রী।

সময়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে রাতে, যেখানে মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ মারা গেছেন। এরপর সকালে ১৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ, দুপুরে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ, বিকেলে ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ, ভোরে ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং সন্ধ্যায় ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকার ও ময়লাবাহী ট্রাকের হার ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ, মোটরসাইকেল ২৬ শতাংশ, বাস ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ, অটোরিকশা-সিএনজি-লেগুনা ১২ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও জিপ ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, রাতে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল, দীর্ঘ যানজট, অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে বিভিন্ন গতির যান চলাচল, ফুটপাত দখল এবং নিরাপদ পারাপারের অভাব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড ও বিমানবন্দর সড়ককে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।

পরিস্থিতির উন্নয়নে কোম্পানিভিত্তিক বাস সার্ভিস চালু, রুট রেশনালাইজেশন এবং বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের সুপারিশ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

August 2026
SMTWTFS
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031