https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
বিতর্কিত বাণিজ্যিক প্রস্তাব নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের মুনাফার অংশ ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ (এফএফই)’ নামে একটি বাণিজ্যিক সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিক্রির পরিকল্পনাও পুরোপুরি বাতিল করেছে ফিফা। ফলে আপাতত অভিশংসনের শঙ্কা কাটিয়ে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন ইনফান্তিনো।
আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে চতুর্থ ও শেষ মেয়াদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান ইনফান্তিনো। তবে বিশ্বকাপের মুনাফা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবস্থাপনার বিতর্কিত পরিকল্পনা সামনে আসার পর তার পদত্যাগের দাবিও ওঠে।
সংকট নিরসনে মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তারা ইনফান্তিনোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, মহাসচিব মাতিয়াস গ্রাফস্ট্রম এবং ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সদস্যরা স্বীকার করেছেন, পুরো প্রক্রিয়াটি ভিন্নভাবে পরিচালনা করা উচিত ছিল। এ ঘটনায় ফিফা কাউন্সিল ও সদস্য দেশগুলোর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে।
এর আগে গ্রাফস্ট্রম কর্মীদের কাছে পাঠানো এক ই-মেইলে সাম্প্রতিক ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ও নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছিলেন এবং ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন। তবে সর্বশেষ বৈঠকে তিনি আবারও সভাপতির প্রতি সমর্থন জানান। ফিফাও জানিয়েছে, ইনফান্তিনো মহাসচিবের প্রতি নিজের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ফিফা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এফএফই প্রস্তাব এখন সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সংস্থাটি।
অন্যদিকে, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা ও সিরি ‘আ’-সহ ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোর সংগঠন ইউরোপিয়ান লিগস ফিফার শাসনব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, এফএফই পরিকল্পনা ফিফার পরিচালনা কাঠামো ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার দুর্বলতা প্রকাশ করেছে।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, ফুটবলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সব অংশীজনের আনুষ্ঠানিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনারও বিরোধিতা করেছে তারা এবং সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত ফিফার নতুন কোনো প্রতিযোগিতা চালু বা সম্প্রসারণের উদ্যোগ সমর্থন করবে না।