ঢাকা
২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
আইসিজের মামলার রায় অক্টোবরে ঘোষণা হতে পারে আইএমএফের পূর্বাভাস, ২০৩০ সালে বিশ্বের ৩২তম বৃহৎ অর্থনীতি হবে বাংলাদেশ বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা নিয়ে যা বলল ভারত দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আগামী দুই দিন বাড়তে পারে ভারী বর্ষণ নেপাল-চীন সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট হ্রদে পানি উপচে নতুন আতঙ্ক নেপালে বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৫৪৭, নিখোঁজ ৫১৭ বিদেশি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে গোসলে নেমে ৫ শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন পুতিনের হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৮০ ইরান যুদ্ধে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি, রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬   ৫৭ বার পঠিত
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি, রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

ছবি: -সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা মামলাগুলোর তদন্তে অভিযুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সরকার নির্ধারিত ফি’র কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগে এই তদন্ত চলছে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের মধ্যে ২১৩ জনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মামলাগুলোতে অভিযোগ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো প্রায় ৭ হাজার ৯৮৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছে।

দুদকের বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত-২ শাখার পরিচালক (বর্তমানে এলপিআররত) এস এম এম আখতার হামিদ ভূঞা স্বাক্ষরিত এক পত্রে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুদক পৃথক ১২টি মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের আসামি করেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা পরস্পরের যোগসাজশে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিস (বায়রা)-এর নিবন্ধনের শর্ত লঙ্ঘন করে সরকার নির্ধারিত কর্মীপ্রতি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিমান টিকিটসহ বিভিন্ন খাতে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৪৯০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অতিরিক্ত আদায় করা অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি বিভিন্ন উপায়ে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।