https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
বর্ষায় বন্যা, শুষ্ক মৌসুমে নদীভাঙন—দুই সংকটের মাঝেই মানবেতর জীবন কাটছে তিস্তাপাড়ের মানুষের। তিস্তার পানি বাড়লেই প্লাবিত হচ্ছে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি, আবার পানি নামলেই শুরু হচ্ছে ভয়াবহ ভাঙন।
লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা বলছেন, “তিস্তার পানি বাড়লেও হামার বিপদ, কমলেও হামার বিপদ।” বুধবারের বন্যায় অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে রোপা আমনের ক্ষেত, আর পানি নামতে শুরু করতেই নতুন করে দেখা দিয়েছে নদীভাঙনের শঙ্কা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে নেমেছে। তবে গত দেড় মাস ধরে নদীর পানি বারবার ওঠানামা করায় তিস্তাপাড়ে বন্যা ও ভাঙনের চক্র অব্যাহত রয়েছে।
পাউবির কর্মকর্তারা জানান, উজান থেকে নতুন পাহাড়ি ঢল না এলে পানি আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে কৃষি বিভাগের হিসাবে, চলতি বছরের তৃতীয় দফার বন্যায় রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ৯ হাজার ৬০০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে প্রণোদনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।