বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো গোপন এজেন্ডা বা বাইরের চাপ নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যাত্রীচাহিদা এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের প্রয়োজন বিবেচনা করেই উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের বিমানবহরে মিশ্র ধরনের উড়োজাহাজ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এর আগে এপ্রিলে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
হুমায়ুন কবির বলেন, আন্তর্জাতিক রুট বাড়ানো এবং বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বিমানবহর আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়ে কারিগরি মূল্যায়ন চলছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কারিগরি সমস্যার কারণে আগে এই রুটের কার্যক্রম স্থগিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি পুনরায় চালুর প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন