ঢাকা
২৬ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬   ২৪ বার পঠিত
জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ছবি: -সংগৃহীত

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে চলচ্চিত্র একটি অত্যন্ত কার্যকর ও শক্তিশালী মাধ্যম। পরিবেশ ও সামাজিক পরিবর্তনমুখী চলচ্চিত্রকে সরকার সবসময় উৎসাহিত করে এবং এ ধরনের উদ্যোগকে অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শুক্রবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়াম-এ অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৬’–এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সমাজ পরিবর্তন ও জনকল্যাণমূলক বার্তা বহনকারী চলচ্চিত্রগুলোকে সরকারি অনুদান নীতিমালার আওতায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। একইভাবে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রস্তাবও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

তিনি পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে এমন একটি সময়োপযোগী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটের মতো বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এ আয়োজনকে একবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিবছর আরও বৃহত্তর পরিসরে আয়োজন করা উচিত।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, চলচ্চিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ও অন্যান্য কনটেন্টের মানোন্নয়নের পাশাপাশি এগুলোর ব্যাপক প্রচার নিশ্চিত করতে হবে। শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নয়, বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে পরিবেশবিষয়ক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এতে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে এখনো অসচেতন জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানের আওতায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রণালয় ইতিবাচক রয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ কীভাবে বিদ্যমান অনুদান নীতিমালার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, সে বিষয়ে নির্মাতাদেরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

উৎসবের উদ্যোক্তা ও তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সীমিত পরিসরে শুরু হলেও এ ধরনের উদ্যোগের প্রভাব আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছাতে পারে। তাই দৃঢ় প্রত্যয় ও সৃজনশীলতা নিয়ে পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও আলোচকরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে চলচ্চিত্র, গল্পনির্ভর উপস্থাপনা ও সৃজনশীল সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এসডো এবং পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতায়, পাশাপাশি নেক্সাস টেলিভিশন-এর মিডিয়া পার্টনারশিপে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক উৎসব সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ অংশগ্রহণ করেন। উৎসবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জলবায়ু সংকট ও পরিবেশবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

August 2026
SMTWTFS
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031