চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের জন্য গেছেন ৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৬ জন বাংলাদেশি কর্মী। একই সময়ে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ২ দশমিক ৮০ বিলিয়ন ডলার।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
প্রবাসী কর্মীরা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর যাতে কোনো ধরনের অবহেলা বা হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারির সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
একই সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ব্যত্যয় যেন না ঘটে, সে বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, সরকার অনুমোদিত বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি এবং বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিদেশে কর্মী পাঠানো হয়। বর্তমানে দেশে মোট রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ২ হাজার ৮৬০টি। এর মধ্যে সচল রয়েছে ২ হাজার ১৮৭টি।
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও বাজেট বরাদ্দ পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হকসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, অধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।
বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ ধরে রাখার পাশাপাশি অভিবাসন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন