https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ১০ জনের দল নিয়েও তুরস্ককে ১-০ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া গোল ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত দারুণ রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গুরুত্বপূর্ণ এই জয় নিশ্চিত করে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল দ্রুতগতির। শুরুতেই গোল করে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে, যা পুরো ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। মাতিয়াস গালারসার করা সেই একমাত্র গোলই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেয় দুই দলের মধ্যে।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। বল দখল ও আক্রমণে তারা এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ে দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রথমার্ধে এবং দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোল আদায় করতে ব্যর্থ হয় ইউরোপীয় দলটি।
তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে পারত প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে। তখন ফাউলের ঘটনায় ভিএআরের সহায়তায় প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সেটিই ছিল ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় প্যারাগুয়েকে।
একজন কম নিয়ে খেলেও অসাধারণ সংগঠিত রক্ষণভাগ গড়ে তোলে প্যারাগুয়ে। তুরস্ক পুরো ম্যাচে ৩২টি শট নিলেও কোনোটি গোলবারে জড়াতে পারেনি। চাপ বাড়ালেও গোলের অভাব শেষ পর্যন্ত তাদের বড় হতাশায় পরিণত হয়।
অন্যদিকে প্যারাগুয়ে ধৈর্য ও পরিকল্পিত রক্ষণাত্মক কৌশলের মাধ্যমে লিড ধরে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে। ম্যাচজুড়ে লড়াই করেও তুরস্কের ব্যর্থতা আরও গভীর হয়, কারণ প্রথম ম্যাচেও তারা ৩০টি শট নিয়েও গোল করতে পারেনি।
ফলে দুই ম্যাচ মিলিয়ে ৬২টি শট নিয়েও গোলশূন্য থাকা তুরস্কের বিশ্বকাপ অভিযান কার্যত এখানেই শেষ হয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা তাদের আক্রমণভাগের কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।