https://timenewsbangla.com

ছবি: <--ছবির সোর্স সিলেক্ট করুন-->
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ভবিষ্যতের অত্যাধুনিক কম্পিউটিং সক্ষমতাকে আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব সুসংহত করা।
ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, নতুন এই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলো বেসরকারি খাতের সঙ্গে সমন্বয় করে ২০২৮ সালের মধ্যে গবেষণায় ব্যবহারযোগ্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হবে। একই সঙ্গে ২০২৯ সালের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।
হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মাইকেল ক্রাটসিওস জানিয়েছেন, আইবিএম, মাইক্রোসফট এবং গুগলসহ শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এই খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ভবিষ্যতে প্রচলিত সুপারকম্পিউটারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে সাধারণ বিটের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় ‘কিউবিট’, যা একই সঙ্গে ০ ও ১ অবস্থায় থাকতে পারে। এর ফলে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়, যা প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক দ্রুতগতির গণনা সক্ষমতা তৈরি করে।
তবে বর্তমানে এই প্রযুক্তি এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে এবং ত্রুটির হার বেশি থাকায় বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক ব্যবহারযোগ্য হয়ে ওঠেনি।
নতুন নির্বাহী আদেশে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সাইবার নিরাপত্তা। এতে পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি বা কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-প্রতিরোধী এনক্রিপশন ব্যবস্থা উন্নয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে শক্তিশালী কম্পিউটিং আক্রমণ থেকেও তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবে।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সরকারি উদ্যোগে তৈরি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মডেল প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এটি ভবিষ্যতের আরও উন্নত প্রযুক্তি বিকাশের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগকে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।