https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি এবং দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ ঘোষণা করা হবে। এই রায়ের মাধ্যমে ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি হবে।
রোববার (২৮ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এটি পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পঞ্চম রায়। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, রায় ঘোষণার কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। গত ১৫ জুন উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল ২৮ জুন রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন। প্রসিকিউশন পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে। অন্যদিকে, রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের আইনজীবী দাবি করেছেন, তার মক্কেলের এ ঘটনার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এই মামলায় চঞ্চল চন্দ্র সরকার আদালতে উপস্থিত থাকলেও বাকি চার আসামি পলাতক। তারা হলেন সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান এবং সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলির মুখে প্রাণ বাঁচাতে রামপুরার একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে পড়েন আমির হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, সেই অবস্থায়ও তাকে লক্ষ্য করে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন এবং গুলিবিদ্ধ হয় মায়া ইসলামের ছয় বছর বয়সী নাতি বাসিত খান মুসা, যে এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেনি।