https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
নেইমারের অনুপস্থিতিতে ব্রাজিল জাতীয় দল এখন আক্রমণভাগ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পুরোনো একক নির্ভরতা থেকে সরে এসে দলটি ধীরে ধীরে একটি বহুমাত্রিক ও গতিশীল আক্রমণ কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যেখানে একাধিক খেলোয়াড় সমানভাবে দায়িত্ব ভাগ করে নিচ্ছেন।
সাম্প্রতিক ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে সবচেয়ে আলোচনায় ছিলেন ম্যাথেউস কুনহা। দুটি গোল করে তিনি শুধু স্কোরলাইনে নয়, দলের আক্রমণ পরিকল্পনাতেও নিজের গুরুত্ব স্পষ্ট করেছেন। বক্সের ভেতরে তাঁর সঠিক অবস্থান, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতা ব্রাজিলকে আক্রমণে ধার এনে দেয়।
এই পারফরম্যান্সের পর কুনহাকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নেইমারের অনুপস্থিতিতে যে ফিনিশারের অভাব অনুভূত হচ্ছিল, কুনহা সেই শূন্যতা পূরণের সম্ভাবনা তৈরি করছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তিনি বর্তমান ব্রাজিল আক্রমণের অন্যতম প্রধান শক্তি। গতি, ড্রিবলিং এবং প্রতিপক্ষ রক্ষণ ভাঙার ক্ষমতায় তিনি বারবার বিপদ তৈরি করছেন। শুধু গোল নয়, অ্যাসিস্ট এবং আক্রমণ তৈরিতেও তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
নেইমার না থাকায় ব্রাজিলের আক্রমণ এখন আর একজন প্লে-মেকারের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং ভিনিসিয়ুস, কুনহা এবং অন্যান্য ফরোয়ার্ডদের সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে একটি বেশি ফ্লুইড ও পরিবর্তনশীল আক্রমণ কাঠামো। এতে বৈচিত্র্য বাড়লেও ধারাবাহিকতা নিয়ে এখনো কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে।