https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত ৭ হাজার ১০৫টি অভিযানে ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একই সময়ে প্রায় ৯৭ হাজার ব্যক্তির পরিচয়পত্র ও অভিবাসনসংক্রান্ত নথি যাচাই করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম হারিয়ান মেট্রো জানায়, রোববার ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলে পরিচালিত একটি সমন্বিত অভিযান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দেশটির ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।
তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন-২০০৭ (এটিপসম), মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (এএমএলএ) এবং ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর আওতায় আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে। অবৈধ অভিবাসন ও সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
জাকারিয়া শাবান বলেন, অবৈধ অভিবাসনকে দেশের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাই এ ধরনের অপরাধ দমনে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
এদিকে, ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলের দুটি ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৫৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি শ্রম বিভাগ ও পরিবেশ বিভাগের মোট ৭৭ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।
প্রাথমিক তদন্তে আটক ব্যক্তিরা বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে পারেননি। তবে ইমিগ্রেশন বিভাগের ধারণা, তাদের কাগজপত্র নিয়োগকর্তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। বিষয়টি যাচাই করতে তাদের সাময়িকভাবে আটক রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
অভিযানে আরও দেখা যায়, কারখানাগুলোতে স্থাপিত সিসিটিভির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হতো। কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেলেই শ্রমিকদের লুকিয়ে রাখা বা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ছিল নিয়মিত কৌশল। ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, ভবিষ্যতে এমন কৌশল মোকাবিলায় নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।