রাজধানীর পান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে শুরু হয়েছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনের সংলাপ। রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে একযোগে পাঁচটি রুদ্ধদ্বার সেশন শুরু হয়।

আন্তর্জাতিক এ সংলাপের দ্বিতীয় দিনে গণতন্ত্র, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু নিরাপত্তা, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আয়োজনে এবার বসেছে সংলাপটির পঞ্চম আসর। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন দিনের এ আন্তর্জাতিক সংলামের উদ্বোধন করেন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ফ্র্যাগমেন্টস, ফ্রন্টিয়ার্স, ফিউচার্স: নেভিগেটিং পাওয়ার, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রাস্ট ইন এ ওয়ার্ল্ড রিরিটেন’। সংলাপ শেষ হবে সোমবার (৫ অক্টোবর)।

দ্বিতীয় দিনের মূল মঞ্চের আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন দেশের সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, রাজনীতিক, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক ও নীতিনির্ধারকেরা।

সকাল ১১টায় ‘ফাইভ সিজ, ওয়ান গ্যাদারিং স্টর্ম’ শীর্ষক কৌশলগত বক্তব্য দেবেন ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও সাংবাদিক এম জে আকবর। এরপর বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং ভারতের কমেডিয়ান ও এক্সিকিউটিভ কোচ পাপা সিজে বক্তব্য দেবেন।

দুপুরে স্থানীয় সরকারে নারীর নেতৃত্ব, সুশাসন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে পৃথক সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এসব আলোচনায় নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, ইউএন উইমেনের বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দারসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

এ ছাড়া ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ এবং প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানও বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য দেবেন।

দিনের শেষ মূল পর্ব ‘দ্য ডেমোক্রেসি কনভারসেশন’-এ অংশ নেবেন ভারত, মালি, লাটভিয়া ও মালয়েশিয়ার সাবেক ও বর্তমান নীতিনির্ধারক এবং বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

এবারের বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক, কূটনীতিক, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। সংলাপের বিভিন্ন পর্বে বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র ও সুশাসনের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।