মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের অস্থিরতার মধ্যেও সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে তুলনামূলক নিরাপদ নগরী হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় সেই নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলার পর সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

দেশটিতে কর্মরত অনেক প্রবাসী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এখন নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। সৌদি আরবে দীর্ঘমেয়াদি বসবাস, পরিবারের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও নতুন করে ভাবছেন অনেকে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। পরদিন দ্বিতীয় দফার হামলায় আরও একজন নিহত এবং অন্তত ১১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

এ ছাড়া সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের দাম্মাম বিমানবন্দর ও বিভিন্ন তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে হুথি আন্দোলন। তাদের বক্তব্য, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরবের সরকারি বাহিনীকে সমর্থন এবং চলতি বছরের শুরুর দিকে সানা বিমানবন্দরে সৌদি বাহিনীর হামলার জবাব হিসেবেই এসব আক্রমণ চালানো হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তার নিয়ে আলোচনা জোরালো হচ্ছে। তবে হামলার ঘটনায় প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও, এর ভিত্তিতে পুরো সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে নির্ভরযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্য যাচাই করা জরুরি।