https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় এখনো কাঙ্ক্ষিত শেখার দক্ষতা অর্জিত হয়নি। অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও তারা শ্রেণি-উপযোগী দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে গণসাক্ষরতা অভিযান আয়োজিত ‘রেমিডিয়াল শিক্ষা: কর্ম-অভিজ্ঞতা ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে জাতীয় বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক স্তরের শিশুদের মৌলিক শেখার ভিত্তি শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে, অনেক শিক্ষার্থী তৃতীয় শ্রেণিতে উঠলেও সেই স্তরের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না। জাতীয় শিক্ষার্থী মূল্যায়নের তথ্য অনুযায়ী প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী পিছিয়ে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ঝরে পড়া বা পাঠে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক কার্যক্রম চালু করা হবে। লার্নিং সার্কেল, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে শেখার ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, ‘দ্য লার্নিং নেশন’ বইয়ে ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশের শিক্ষা সংস্কারের একটি বিস্তৃত রূপরেখা তুলে ধরেছেন। সেখানে প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের নানা বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, চলপড়ির প্রতিষ্ঠাতা জেরিন মাহমুদ হোসেন এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্তসহ অনেকে।