https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে দুর্দান্ত আধিপত্য ধরে রেখে অপরাজিত থেকে নকআউটে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ‘জে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে টানা তিন জয়ে গ্রুপসেরা হয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল। ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে গোল করে আরও একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপে রেকর্ড ষষ্ঠ আসরে খেলতে নেমে একের পর এক কীর্তি গড়ে চলেছেন মেসি। আগের ম্যাচেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে উঠে আসা এই আর্জেন্টাইন তারকা এবার নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে করেছেন ১৯। একই সঙ্গে টানা সাত বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে গড়েছেন নতুন বিশ্বরেকর্ড। এর আগে টানা ছয় ম্যাচে গোল করে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) ও ব্রাজিলের জাইরজিনহোর (১৯৭০) সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন তিনি।
চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির ষষ্ঠ গোল। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও তিনি এখন সবচেয়ে এগিয়ে থাকা খেলোয়াড়দের একজন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক এবং অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলের পর জর্ডানের বিপক্ষেও গোল করে নিজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন।
ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নকআউটের আগে দলের শক্তি যাচাই করতে একাদশে নয়টি পরিবর্তন আনেন কোচ স্কালোনি। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটে দারুণ এক ফ্রি-কিকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জিওভান্নি লো সেলসো। বিশ্বকাপে এটি ছিল তার প্রথম গোল।
৩০ মিনিটে লাউতারো মার্টিনেজের শট ঠেকিয়ে দেন জর্ডানের গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবু লায়লা। ফিরতি বলে হুলিয়ান আলভারেজের হেডও অসাধারণভাবে রুখে দেন তিনি। তবে পরের মুহূর্তে আলভারেজকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন লাউতারো।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে আল তামারির গোলে ব্যবধান কমায় জর্ডান। তবে ম্যাচে ফেরার আশা বেশিক্ষণ টিকতে দেয়নি আর্জেন্টিনা। ৬০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামার ২০ মিনিটের মধ্যেই নিখুঁত এক ফ্রি-কিকে গোল করেন মেসি। পরিকল্পিত সেট-পিস থেকে নেওয়া নিচু শটে জর্ডানের রক্ষণ ও গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন তিনি।
পুরো ম্যাচে ৭৪ শতাংশ বলের দখল ছিল আর্জেন্টিনার। তারা ১১টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। বিপরীতে জর্ডান চারটি শটের মধ্যে মাত্র একটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল।
৩-১ গোলের এই জয় নিয়ে শতভাগ সাফল্যে গ্রুপপর্ব শেষ করল আর্জেন্টিনা। চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপপর্বে তিন ম্যাচের সবকটিতে জয় পাওয়া দলগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও মেক্সিকো।