https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত স্পিনে একসময় ইনিংস হারই যেন নিশ্চিত মনে হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার। কিন্তু ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্কের প্রতিরোধে ম্যাচের চিত্র পাল্টে গেছে। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের রান পেরিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে লিড নিয়েছে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। দিনের শুরুতেই মিরাজের ঘূর্ণিতে একে একে ফিরতে থাকেন অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্স। ৭২ বলে ৩০ রান করা ক্যারিকে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে গ্রিনের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ।
এরপর মাত্র ৫ রানে ওয়েবস্টারকে বোল্ড করেন তিনি। ১০৯ বলে দুই চারে হাফ সেঞ্চুরি করা গ্রিনের সঙ্গে যোগ দিয়ে বেশি দূর যেতে পারেননি কামিন্সও। ৮ রান করে সাদমান ইসলামের ক্যাচ হন তিনি। নতুন দিনে এটি ছিল মিরাজের তৃতীয় এবং ইনিংসে চতুর্থ উইকেট। ২০৭ রানে সপ্তম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
তখনও বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ৪২৬ রান থেকে ২১৯ রানে পিছিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু গ্রিনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন মিচেল স্টার্ক। দুজন মিলে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেন।
৭৯তম ওভারের শেষ বলে স্টার্ক-গ্রিনের জুটিতে বাংলাদেশের ৪২৬ রানের সমতায় পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর আর দুই বলের মধ্যেই লিড নেয় স্বাগতিকরা। গ্রিন সিঙ্গেল নিয়ে স্কোরবোর্ডে ৭ উইকেটে ২২৯ রান তোলেন।
অর্থাৎ ইনিংস হার এড়ানোর পর এখন বাংলাদেশকে পেছনে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। গ্রিন ও স্টার্কের প্রতিরোধে ম্যাচও নতুন করে জমে উঠেছে।
এর আগে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ করে ৪২৬ রান। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্তর হাফ সেঞ্চুরি এবং মিরাজের কার্যকর ইনিংসে বড় লিড পায় বাংলাদেশ। জশ হ্যাজলউড নেন ৬ উইকেট।
দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতে চাপে পড়লেও তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে ঘুরে দাঁড়ায় অস্ট্রেলিয়া। চতুর্থ দিনের শুরুতে মিরাজ আবারও ধাক্কা দিলেও গ্রিন ও স্টার্কের জুটিতে এখন ম্যাচের মোড় ঘুরে গেছে।