https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২০০ রানের আগেই গুটিয়ে দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর ২২৮ রানের লিড নিয়ে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা ছিল দারুণ। কিন্তু শেষ সেশনে অস্ট্রেলিয়ার দৃঢ় প্রতিরোধ ম্যাচের চিত্র বদলে দিয়েছে। ফলে একপেশে মনে হওয়া টেস্ট এখন জমে উঠেছে রোমাঞ্চের অপেক্ষায়।
অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে। তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্তর অর্ধশতক এবং মেহেদী হাসান মিরাজের কার্যকর ব্যাটিংয়ে বড় লিড পায় সফরকারীরা। বাংলাদেশের ইনিংস থামানোর পথে ১৩ মাস পর টেস্টে ফেরা জশ হ্যাজলউড নেন ৬ উইকেট।
তবে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে প্রথম ইনিংসের মতো বিপর্যয়ে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৭ রানেই দুই ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড ও ট্র্যাভিস হেডকে হারালেও এরপর লড়াইয়ে ফেরে স্বাগতিকরা।
মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুললেও চা-বিরতির পর তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ৩১ রানে ফেরেন লাবুশেন। এরপর স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। ৮৮ বলে ৪৪ রান করে মিরাজের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে স্মিথ ফিরলে আবারও চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।
তবে দিনের শেষ ভাগে আর কোনো উইকেট হারায়নি স্বাগতিকরা। গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি ৯৪ বলে ৩৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন শেষ করেন। গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে তারা।
চতুর্থ দিনে গ্রিন ও ক্যারির পাশাপাশি বেউ ওয়েবস্টারের ব্যাটিংয়ের ওপর অনেকটাই নির্ভর করবে অস্ট্রেলিয়ার লড়াই। এই ব্যাটাররা বড় জুটি গড়তে পারলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতছাড়া হতে পারে। আর বাংলাদেশের বোলাররা প্রথম ইনিংসের মতো আগুন ঝরাতে পারলে জয়ের পথে বড় সুবিধা পাবে সফরকারীরা।
তাই চতুর্থ দিনের শুরুতেই স্পষ্ট হবে—অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরোধ কি ম্যাচকে আরও জমিয়ে তুলবে, নাকি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ আবারও স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে ধস নামাবে।