https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। এতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২২৮ রানের লিড পেয়েছে সফরকারীরা। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত লড়াই করছে বাংলাদেশ।
তৃতীয় দিনের শুরুতে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলামকে হারালেও মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদের দৃঢ়তায় লিড ২০০ ছাড়িয়ে নেয় টাইগাররা। এরপর দলীয় সংগ্রহও ৪০০ পেরিয়ে যায়।
মিরাজ ৬৫ রানে আউট হওয়ার পর ইনিংসের শেষ ব্যাটার হিসেবে এবাদত হোসেনকে ফেরান জশ হ্যাজেলউড। ৭ রান করা এবাদত অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিলে ৪২৬ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। তাসকিন ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
লাঞ্চের পর বাংলাদেশের স্কোরে মাত্র এক রান যোগ হতেই মিরাজকে ফিরিয়ে টেস্টে নিজের ৩০০তম উইকেট পূর্ণ করেন হ্যাজেলউড। ১১৭ বলে পাঁচটি চারে ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন মিরাজ।
দিনের শুরুতে হ্যাজেলউডের বলে ১৪ রান করে ফেরেন হাসান মাহমুদ। এরপর ১৭ রানে তাইজুল ইসলামও তার শিকার হন। তাইজুল গালিতে ক্যাচ দিলে হ্যাজেলউডের টেস্ট উইকেটের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯৯-এ।
বাংলাদেশের ইনিংসের মূল ভিত গড়ে দেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা তানজিদ ১৯৭ বলে ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল আটটি চার ও একটি ছক্কা। মুমিনুল হকের সঙ্গে ১০৩ এবং শান্তর সঙ্গে ৯৩ রানের জুটি গড়েন তিনি।
মুমিনুল এক রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি মিস করেন। ৯৫ বলে আটটি চারে ৪৯ রান করে হ্যাজেলউডের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
অন্যদিকে সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও ৮৪ রানে থামেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ১২৬ বলের ইনিংসে সাতটি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। শান্ত ফেরার পর মাত্র ১১ রানের মধ্যে লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
লিটন রানে ফিরলেও মুশফিক করেন ৩৬ রান। এরপর মিরাজ ও হাসান মাহমুদের প্রতিরোধে ইনিংসের ধস সামাল দেয় বাংলাদেশ। তাদের লড়াইয়ের ওপর ভর করেই ৪০০ পেরিয়ে ২২৮ রানের লিড নিশ্চিত করে সফরকারীরা।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে হ্যাজেলউড ৬ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার। মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেন।