https://timenewsbangla.com

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী সপ্তাহেই তেহরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
ইরানের তেল রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপের তালিকায় এবার চীনও রয়েছে। বিশেষ করে ইরানের তেল কেনা চীনের ছোট বেসরকারি তেল শোধনাগার ও বড় চীনা ব্যাংকগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন।
ইরানের রপ্তানি করা তেলের ৮০ শতাংশের বেশি চীন কিনে থাকে। ফলে চীনা শোধনাগার ও ব্যাংকে নিষেধাজ্ঞা দিলে তেহরানের ওপর বড় অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে। তবে এতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে চীন গুরুত্বপূর্ণ খনিজের রপ্তানি কমিয়ে দিতে পারে।
ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ধারাবাহিকভাবে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা, বিমান পরিবহন খাতে চাপ বাড়ানো এবং স্থলপথে বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত করার কথাও বিবেচনায় রয়েছে। তবে ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোর সহযোগিতা ছাড়া স্থল অবরোধ কার্যকর করা কঠিন।
এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে এ ধরনের পদক্ষেপের আইনি ভিত্তি ও বাস্তবায়ন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই বিতর্ক রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের হাতে একাধিক পথ থাকলেও চীনকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করলে এর প্রভাব ইরানের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতেও পড়তে পারে।