https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
চট্টগ্রামের বহুল প্রতীক্ষিত কালুরঘাট-চাক্তাই চার লেনের মেরিন ড্রাইভ সড়কে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সব ধরনের যানবাহন চলাচল শুরু হবে বলে আশা করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।
প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী রাজীব দাস জানান, ৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির প্রায় ৯২ শতাংশ নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি কাজও ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।
কর্ণফুলী নদীর পশ্চিম তীরে বাঁধ-কাম-মেরিন ড্রাইভ হিসেবে নির্মাণাধীন এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
রাজীব দাস জানান, সম্প্রতি কালুরঘাট শিল্প এলাকা থেকে রেলওয়ে সেতু পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। কালুরঘাট সেতু এলাকায় আরও ১০০ মিটার জমি অধিগ্রহণের কাজও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার আশা রয়েছে। নির্মাণকাজ নির্বিঘ্ন করতে ইতোমধ্যে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় চাক্তাইয়ের কল্পলোক থেকে বলিরহাট পর্যন্ত চার কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়াকওয়ের নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে। পাশাপাশি বাকলিয়া এলাকায় নদীর তীরবর্তী প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাকে পর্যটন অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছে সিডিএ।
এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শাহ আমানত সেতু থেকে বলিরহাট পর্যন্ত ওয়াকওয়ে এবং শিশুদের বিনোদন সুবিধাসহ একটি রেস্তোরাঁ নির্মাণের উদ্যোগ রয়েছে। বাঁধের ওপর নির্মিত চার লেনের সড়কটির প্রস্থ হবে ৮০ ফুট এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা থাকবে ২৪ দশমিক ৫ ফুট।
সড়ক নির্মাণে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) নির্দেশনা এবং ১৯৯৫ সালের চট্টগ্রাম মহানগর মাস্টারপ্ল্যান অনুসরণ করা হচ্ছে।
বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য বিভিন্ন খালের মুখে স্থাপন করা ১২টি জোয়ার প্রতিরোধক রেগুলেটর ও পাম্প হাউসের নির্মাণকাজও শেষ হয়েছে।
২০১৯ সালের জুনে চাক্তাই খালের মোহনায় একটি স্লুইসগেট নির্মাণের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে বাকি কাজ শেষ করে ডিসেম্বরের মধ্যে সড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।