https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মুখোমুখি হচ্ছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ। জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্যের ভোটেই নির্ধারিত হবে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।
দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে তারা আশাবাদী।
সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ ১৯৯১ সালের পর দেশে আর সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়কে প্রয়োজনীয় অনুশীলন করতে হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের ৩৪৯ সদস্য ভোটার হিসেবে ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টা থেকে গণনা শুরু হবে। ভোট গণনার সময় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারবেন।
সিইসি জানান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতার ভোট দেওয়ার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভোট গণনার সময়ও সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা থাকবে। কত ভোট পড়েছে, কতটি বাতিল হয়েছে এবং প্রত্যেক প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন—সব তথ্য প্রকাশ করা হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাওয়া প্রার্থীকেই বিজয়ী ঘোষণা করে পরে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
এদিকে সংসদে এক সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ভোটের মাধ্যমেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। দীর্ঘ সময় পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সরাসরি প্রত্যক্ষ করবে দেশের মানুষ।
নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন রাজনৈতিক যাত্রার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের পর দলটি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে। এখন সরকার ও বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখাই লক্ষ্য।