https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন। এর সঙ্গে রয়েছে আরও কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ। নতুন এই মোতায়েনের ফলে অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরালো হলো।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক কমান্ড সেন্টকম জর্জ ওয়াশিংটন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত মোতায়েন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রণতরী ও এর সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছিল যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। দীর্ঘ সময় সমুদ্রে থাকার কারণে এর নাবিক ও ক্রুদের মধ্যে মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে আসে। এ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনও সমালোচনার মুখে পড়ে। পরে আব্রাহাম লিংকনের পরিবর্তে জর্জ ওয়াশিংটনকে মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন মোতায়েনকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘাত চলে। হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরবর্তী সময়ে প্রায় ৪০ দিন ধরে চলা সংঘাতের পর হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন সামরিক শক্তি জড়ো করার বিষয়টি পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে।
এরই মধ্যে ইরানের ওপর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকিও দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে সামরিক চাপের পাশাপাশি তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপও বাড়ানোর পথে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।