https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী ও সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণের কালো অধ্যায়ের পর দেশের গণমাধ্যম যে সংকটময় পরিস্থিতিতে পড়েছিল, সেখান থেকে মুক্ত ও স্বাধীন পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ূব ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যম বিকাশে জিয়াউর রহমানের অবদান দেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি শুধু সংবাদমাধ্যমের বিকাশের সুযোগই তৈরি করেননি, বরং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বহুমতের চর্চার পরিবেশও নিশ্চিত করেছিলেন।
শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। একইভাবে ৭ নভেম্বরের পর দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
তিনি আরও বলেন, একজন সামরিক কর্মকর্তা হয়েও জিয়াউর রহমানের চিন্তা ও নেতৃত্ব ছিল একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কের মতো। তিনি ভিন্নমতকে সম্মান করতেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবন এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
গণমাধ্যম প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো রাষ্ট্রনায়ক জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেন না যদি তিনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে মূল্য না দেন। জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমকে রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করার সুযোগ দিয়েছিলেন। ফলে জনগণের মতামত, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরার পথ আরও সুগম হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম এবং দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদারসহ গণমাধ্যম ও সাংবাদিক নেতারা।