https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সম্ভাব্য আফটারশক এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কায় হাজারো মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন।
অনেক বাসিন্দা রাস্তায় অস্থায়ী তাঁবু স্থাপন করেছেন। কেউ কেউ আবার বাগান, ফুটপাত কিংবা খোলা জায়গায় গদি, মাদুর ও চাদর পেতে রাত কাটাচ্ছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের বাসায় ফিরতে অনাগ্রহী তারা।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে জানিয়েছে, বড় ধরনের আফটারশকের ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।
বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় প্রথমে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কেন্দ্র ছিল ইয়ারাকুয়ি অঙ্গরাজ্যের সান ফেলিপে এলাকা। মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরও শক্তিশালী আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে।
রাজধানী কারাকাসে ভবন ধস, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে জরুরি তৎপরতা চলছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পের পর থেকে এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
দেশটির উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো ও ফ্যালকন অঙ্গরাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকর্মীরা এখনো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।