ঢাকা
৩০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার : মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ২০৩১ বিশ্বকাপ সামনে রেখে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নিয়ে বড় পরিকল্পনা বিসিবির শাপলা চত্বরের মামলায় গুলশান থেকে গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী প্রকল্পের সর্বোচ্চ উপযোগিতা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য : তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রামে চলন্ত প্রাইভেটকারে গুলি, কৌশলে প্রাণে বাঁচলেন ব্যবসায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছি : ভারতীয় হাইকমিশনার সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে হাসিমুখে তাহসিন, উপহার পেলেন স্বাক্ষর করা বাস্কেটবল ও ড্রোন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ যশোর থেকে গ্রেপ্তার, আটক আরও ৫ শুটার ২১ নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করছে ইউএস-বাংলা, পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন গ্রুপ হওয়ার পথে

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা, ১২ জুলাই ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬   ৩৫ বার পঠিত
নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা, ১২ জুলাই ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল

ছবি: -সংগৃহীত

নতুন ঋণ কর্মসূচির কাঠামো ও সংস্কার এজেন্ডা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে আগামী ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফরে আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন ঋণ কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও আইএমএফের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

সফরকালে অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস এবং এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের ঋণচুক্তির পরিবর্তে নতুন সংস্কারভিত্তিক কর্মসূচির আওতায় আইএমএফের কাছে নতুন ঋণ প্যাকেজ চেয়েছে সরকার। সেই প্রস্তাবের অগ্রগতি নিয়েই মূলত এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

সফরের প্রথম দিন অর্থ বিভাগের সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম বৈঠকে রাজস্বনীতি, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক অর্থায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। দ্বিতীয় বৈঠকে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। আর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পর প্রতিবছর ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে।