ঢাকা
২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, বহু মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী চীন : রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জ্বালানি সহযোগিতা চেয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন তারেক রহমান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তির ভেন্টিলেটর ও হাই-ফ্লো অক্সিজেন মেশিন তৈরিকারকদের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর ৮৮ দিনের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএমের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ বিতর্কিত সব নির্বাচনের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত : তথ্য উপদেষ্টা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান মির্জা ফখরুলের বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা, ১২ জুলাই ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬   ৩২ বার পঠিত
নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা, ১২ জুলাই ঢাকায় আসছে আইএমএফ প্রতিনিধিদল

ছবি: -সংগৃহীত

নতুন ঋণ কর্মসূচির কাঠামো ও সংস্কার এজেন্ডা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে আগামী ১২ থেকে ১৬ জুলাই ঢাকা সফরে আসছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন ঋণ কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকার ও আইএমএফের মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

সফরকালে অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস এবং এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের ঋণচুক্তির পরিবর্তে নতুন সংস্কারভিত্তিক কর্মসূচির আওতায় আইএমএফের কাছে নতুন ঋণ প্যাকেজ চেয়েছে সরকার। সেই প্রস্তাবের অগ্রগতি নিয়েই মূলত এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

সফরের প্রথম দিন অর্থ বিভাগের সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম বৈঠকে রাজস্বনীতি, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক অর্থায়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। দ্বিতীয় বৈঠকে নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। আর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের পর প্রতিবছর ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে।