ঢাকা
২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
চট্টগ্রামে চলন্ত প্রাইভেটকারে গুলি, কৌশলে প্রাণে বাঁচলেন ব্যবসায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছি : ভারতীয় হাইকমিশনার সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও নেপালের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে হাসিমুখে তাহসিন, উপহার পেলেন স্বাক্ষর করা বাস্কেটবল ও ড্রোন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ যশোর থেকে গ্রেপ্তার, আটক আরও ৫ শুটার ২১ নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করছে ইউএস-বাংলা, পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন গ্রুপ হওয়ার পথে সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই, আপিল বিভাগের আদেশ নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ধাক্কায় প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজার

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ যশোর থেকে গ্রেপ্তার, আটক আরও ৫ শুটার

ডেস্ক রিপোর্ট
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬   ০ বার পঠিত
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ যশোর থেকে গ্রেপ্তার, আটক আরও ৫ শুটার

ছবি: -সংগৃহীত

চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ‘ডেভিড ইমন’কে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল। বুধবার সকালে অভিযানে তাঁর সঙ্গে আরও পাঁচ সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, আটক সবাই শুটার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইমন দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে ‘বড় সাজ্জাদ’-এর অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করছিলেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোবারক হোসেন ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়ার আলোচিত জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাও রয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, ইমন অস্ত্র ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষ। তাঁর কাছে ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র থাকার তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় শুটার ও মোটরসাইকেলের ব্যবস্থা করার দায়িত্বও তাঁর ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, বর্তমানে বিদেশে অবস্থানরত বড় সাজ্জাদের পক্ষে চট্টগ্রামে অপরাধচক্র পরিচালনার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন দুজন—মোবারক হোসেন ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান। এর আগে এই দায়িত্বে ছিলেন ছোট সাজ্জাদ, যিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। রায়হানের বিরুদ্ধেও হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছে। ইমন ও রায়হান বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করতেন। অভিযোগ থাকলেও এতদিন তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ইমন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অপরাধচক্রের আরও সদস্যদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।