https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তিন লাখের বেশি গুলি ব্যবহার করেছে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ দাবি করেছে প্রসিকিউশন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পঞ্চম দিনের যুক্তিতর্কে এ তথ্য তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।
প্রসিকিউশনের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে চায়না রাইফেল, পিস্তল, এলএমজি, এসএমজি, শটগান ও রিভলভারসহ বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলন ঘিরে মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩১১ রাউন্ড গুলি খরচ করা হয়েছিল। এর মধ্যে শুধু ঢাকায় ব্যবহৃত হয় ৯৫ হাজার ৩১৩ রাউন্ড।
প্রসিকিউটর তামিম আরও দাবি করেন, দেশের ৪১ জেলার ৪৩৮টি স্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটে এবং ৫০টিরও বেশি জেলায় মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়। আন্দোলনকারীদের শনাক্ত করতে ড্রোন ব্যবহারের পর হেলিকপ্টার থেকেও গুলি ছোড়া হয়েছিল বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
এদিন যুক্তিতর্কে ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের ভূমিকা, বিভিন্ন নেতার বক্তব্য ও ফোনালাপ এবং ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার ভিডিও উপস্থাপন করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে উসকানি ও সহিংসতা ছড়ানো হয়েছিল বলে দাবি করে প্রসিকিউশন।
আগামীকাল বুধবার চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন। মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।