https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।
দুপুরে বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরিচয়পত্র পেশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম জানান, রাষ্ট্রপতি নবনিযুক্ত হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন যে, তার দায়িত্বকাল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, ফলপ্রসূ ও জনকল্যাণমুখী করতে ভূমিকা রাখবে।
আলোচনায় রাষ্ট্রপতি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অংশগ্রহণের বিষয়টি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তিনি সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ, মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্ব বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ সময় দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান এবং দুই দেশের জনগণের স্বার্থে এ সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সীমান্তসংক্রান্ত অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্ত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার জানান, সম্প্রতি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তিনি সীমান্তসংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের রাষ্ট্রপতি ও সরকারের শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে পৌঁছে দেন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি তার মাধ্যমে ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান এবং বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিনি নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের সফল ও ফলপ্রসূ দায়িত্বকাল কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।