https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ব্রাজিল জাতীয় দলের তারকা ফরোয়ার্ড রদ্রিগো সিলভা দে গোয়েস বলেছেন, ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি তার কাছে একজন বাবার মতো। রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বিশ্বাস করেন, আনচেলত্তির পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থকদের আস্থা রাখা উচিত।
ইনজুরির কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপের ব্রাজিল দলে জায়গা হয়নি রদ্রিগোর। তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে তিনি আনচেলত্তির নেতৃত্ব, কোচিং দর্শন এবং নিজের ফুটবল-জীবনের নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।
রদ্রিগো স্মরণ করেন ২০২২ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের কথা। বেঞ্চ থেকে মাঠে নামিয়ে আনচেলত্তি তাকে আক্রমণাত্মক খেলতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে দলকে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যান তিনি। পরে সেই মৌসুমেই শিরোপা জেতে রিয়াল মাদ্রিদ।
তার ভাষায়, একজন কোচ কেবল মাঠের কৌশলই ঠিক করেন না, একজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অনেক সিদ্ধান্তের পেছনের গল্প জনসমক্ষে আসে না, কিন্তু প্রতিটি সিদ্ধান্তই আনচেলত্তি গভীর চিন্তাভাবনা করে নেন।
রদ্রিগো বলেন, আমাদের কাছে আনচেলত্তি অনেকটা বাবার মতো। কোচ হিসেবে যেমন, মানুষ হিসেবেও তাকে আমি ভীষণ শ্রদ্ধা করি। মাঠের ভেতর ও বাইরের নানা বিষয়ে তিনি আমাদের সঙ্গে কথা বলেন, পরামর্শ দেন।
তিনি আরও বলেন, ব্রাজিলের সমর্থকেরা সময়ের সঙ্গে আনচেলত্তির কাজ ও পরিকল্পনার মূল্য আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।
নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে রদ্রিগো জানান, মাত্র ছয় বছর বয়সে বয়সে বড় ছেলেদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে প্রথম একাডেমিতে সুযোগ পান। পরে সান্তোসের বয়সভিত্তিক দল থেকে মূল দলে সুযোগ করে দেন কোচ জাইর ভেনচুরা। রিয়াল মাদ্রিদে খেলার স্বপ্নের কথাও প্রথম তাকে জানিয়েছিলেন।
রদ্রিগো বলেন, তার ফুটবল-জীবনে জাইর ভেনচুরা, তিতে, কার্লো আনচেলত্তি, জিনেদিন জিদান, ফের্নান্দো দিনিজ, জাবি আলোনসো ও আলভারো আরবেলোয়ার মতো কোচদের অবদান রয়েছে।
ইনজুরি কাটিয়ে দ্রুত রিয়াল মাদ্রিদে ফিরতে চান এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে হোসে মরিনিয়োর অধীনে খেলার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি। রদ্রিগোর বিশ্বাস, মরিনিয়োর নেতৃত্বে আবারও শিরোপা জয়ের মতো সাফল্য অর্জন সম্ভব।