মিশরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে খেলার সময় আচমকাই বাঁ কুঁচকিতে ব্যথা অনুভব করেন ২২ বছর বয়সী ডিফেন্ডার ওয়েসলি। এরপর আর খেলতে না পেরে তাকে মাঠ ছাড়তে হয় এবং বদলি হিসেবে নামানো হয় দানিলোকে।
মাঠ ছাড়ার সময় তাকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। পরে বেঞ্চে বসে তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢেকে তিনি দীর্ঘ সময় কাঁদেন। পুরো মৌসুমের ক্লান্তি, নতুন ক্লাবের চাপ, কঠিন টানা ম্যাচ খেলা এবং বিশ্বকাপ দলে জায়গা হারানোর শঙ্কা—সব মিলিয়ে মানসিক ও শারীরিকভাবে তিনি ভেঙে পড়েন বলে মনে করা হচ্ছে।
গত মৌসুমে ফ্লামেঙ্গো থেকে রোমায় যোগ দেওয়ার পর খুব অল্প বিশ্রাম পেয়েছিলেন ওয়েসলি। নতুন কোচের অধীনে কঠিন কৌশল ও নিয়মিত প্রথম একাদশে খেলার কারণে তিনি টানা চাপের মধ্যে ছিলেন। সিরি আ লিগে ৩০ ম্যাচে খেলে তিনি ৫টি গোল করেন এবং অনেক সুযোগ তৈরি করেন, তবে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পাওয়ায় তার শরীর ধীরে ধীরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার ইনজুরি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। চিকিৎসা পরীক্ষার পরই জানা যাবে তিনি দলে থাকতে পারবেন কি না। যদি তিনি ছিটকে যান, তাহলে কোচকে প্রাথমিক তালিকা থেকে নতুন খেলোয়াড় নিতে হবে।
বর্তমান দলে কয়েকজন বিকল্প ডিফেন্ডার থাকলেও রাইট-ব্যাক পজিশনে বিকল্প খুব সীমিত। তাই ওয়েসলির অনুপস্থিতি দলটির জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।
ম্যাচ শেষে কোচ জানিয়েছেন, পরের দিনের মেডিকেল রিপোর্টের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।