ঢাকা
৩০ জুলাই ২০২৬

উনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬   ৩ বার পঠিত
উনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ

ছবি: -সংগৃহীত

শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, জলবায়ু সহনশীলতা, যুব উন্নয়ন ও ডিজিটাল রূপান্তরসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভিজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ইউনেস্কোর দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনেস্কোর সম্পর্ক ঐতিহাসিক। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এবং সম্প্রতি টাঙ্গাইল শাড়ির বয়নশিল্পকে ইউনেস্কোর ‘মানবতার অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকায়’ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি এ সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও তরুণদের ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, ভাষা প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদের মাধ্যমে সম্ভাব্য অভিবাসী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ইউনেস্কোর সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে ইউনেস্কোর মহাপরিচালককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানাতেও সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান শামা ওবায়েদ।

জবাবে ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভিজে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব সম্পৃক্ততা ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার পরিধি বাড়াতে ইউনেস্কোর আগ্রহের কথাও জানান তিনি।

সুসান ভিজে বাংলাদেশের সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের তরুণদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় সৃজনশীল অর্থনীতিকে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতির মূলধারার সঙ্গে এ খাতকে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করা প্রয়োজন।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ইউনেস্কোর বিদ্যমান অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে উভয় পক্ষ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।