https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত অসমাপ্ত প্রেমের গল্পগুলোর একটি অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের। বাগদান পর্যন্ত গড়ানো এই সম্পর্ক কেন হঠাৎ ভেঙে গেল—দুই দশক পর সেই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা সুনিল দর্শন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সুনিল দর্শন জানান, অভিষেক ও কারিশমার সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত আন্তরিক এবং বিয়ের প্রস্তুতিও এগোচ্ছিল স্বাভাবিকভাবেই। তবে বিচ্ছেদের জন্য তিনি কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের সদস্যকে দায়ী করতে রাজি নন।
তার ভাষ্য, ‘কারিশমা ও অভিষেকের সম্পর্ক “বন্ড অব লাভ” ছবির শুটিংয়ের আগেই শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। “হাঁ ম্যায়নে ভি প্যায়ার কিয়া হ্যায়” ছবির সময় তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। অমিতাভ বচ্চনের ছেলে ও রাজ কাপুরের নাতনি—তারা ছিলেন আদর্শ এক জুটি।’
সুনিল দর্শন দাবি করেন, বাগদান ভাঙার আগে এমন কোনো ঘটনার সাক্ষী তিনি হননি, যা থেকে বিচ্ছেদের আভাস পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, সেদিন আমি উপস্থিত ছিলাম। এমন কিছুই ঘটেনি, যাতে মনে হয় বিয়ে ভেঙে যাবে। এরপর কারিশমা নববর্ষ উদযাপনে ব্যাংকক যান, আর হঠাৎ শুনলাম তিনি সঞ্জয় কাপুরকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। কেন এমন হলো, সেটি আজও বুঝতে পারিনি।
বিয়ে ভাঙার জন্য কারও ওপর দায় চাপানো ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন এই নির্মাতা। তার মতে, সম্পর্কের সমীকরণ সবার ক্ষেত্রে এক রকম নয় এবং অনেক সময় ভাগ্যও বড় ভূমিকা রাখে।
তিনি বলেন, অনেকে বাবিতা, জয়া বচ্চন, কারিশমা কিংবা অভিষেককে দায়ী করেন। কিন্তু আমি মনে করি, এসব বিষয় ভাগ্যের ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। প্রতিটি সম্পর্কের বাস্তবতা আলাদা।
২০০২ সালে অমিতাভ বচ্চনের ৬০তম জন্মদিনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষেক বচ্চন ও কারিশমা কাপুরের বাগদানের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে কয়েক মাসের মধ্যেই, ২০০৩ সালের শুরুতে, সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বাগদান ভেঙে যাওয়ার প্রকৃত কারণ নিয়ে বচ্চন বা কাপুর পরিবারের কেউই প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানাননি।