ঢাকা
৩১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের কাছে রোহিঙ্গাদের আকুতি, নিরাপদে দেশে ফিরতে চাই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়াটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তি : অ্যাটর্নি জেনারেল ফিটনেসবিহীন যান ও অদক্ষ চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা : ডিএনসিসি প্রশাসক প্রেমের গুঞ্জনের মাঝে তরুণীর সঙ্গে দেখা গেল আরিয়ানকে কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানার সন্ধান, গ্রেপ্তার ৪ বিভেদ-বিভাজনের কোনো চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না : তথ্যমন্ত্রী দেশে ধর্মের নামে বিভাজনের সুযোগ নেই : মির্জা ফখরুল বান্দরবানে পাহাড়ি খাদ থেকে দুই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার অস্ত্র সমর্পণ ও গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের শর্তে হামাস-ইসরাইল চুক্তি খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত

নাতি-নাতনির যত্নে বাড়তে পারে আয়ু, তবে মানতে হবে একটি শর্ত

ডেস্ক রিপোর্ট
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬   ৬ বার পঠিত
নাতি-নাতনির যত্নে বাড়তে পারে আয়ু, তবে মানতে হবে একটি শর্ত

ছবি: -সংগৃহীত

নাতি-নাতনিদের লালন-পালন ও দেখাশোনায় পরিমিতভাবে যুক্ত থাকা প্রবীণদের দীর্ঘায়ু অর্জনে সহায়ক হতে পারে। বিভিন্ন গবেষণা ও বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে। তবে এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দায়িত্ব নেওয়া নয়, বরং ভারসাম্যপূর্ণ অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে সতর্ক করেছেন গবেষকরা।

বিবর্তনবিষয়ক ‘দাদি-নানি তত্ত্ব’ অনুযায়ী, প্রাচীন সমাজে বয়স্ক নারীরা নাতি-নাতনিদের দেখাশোনা ও খাদ্য জোগাড়ে সহায়তা করতেন। এতে তাদের কন্যারা আরও সন্তান নেওয়ার সুযোগ পেতেন এবং দীর্ঘজীবী ও যত্নশীল মানুষের বৈশিষ্ট্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে।

প্রবীণদের মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটানো মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস ও শারীরিক সচলতা বাড়ায়। পাশাপাশি বিষণ্নতা কমে, স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়সকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে পারলে গড়ে সাড়ে সাত বছর পর্যন্ত আয়ু বাড়তে পারে। আবার নিজের অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে জীবনের উদ্দেশ্যবোধ তৈরি হলে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। এছাড়া সন্তান লালন-পালনে পরিমিত সহায়তা করা দাদা-দাদি বা নানা-নানিদের মৃত্যুঝুঁকি প্রায় ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত কমে বলেও বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, নাতি-নাতনিদের দেখাশোনার পুরো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া উচিত নয়। প্রতিদিনের সব দায়িত্ব একাই পালন করলে অতিরিক্ত মানসিক চাপ, নিঃসঙ্গতা ও আর্থিক সংকট তৈরি হতে পারে, যা উল্টো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং মৃত্যুঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভালোবাসা, পারিবারিক বন্ধন এবং দায়িত্বের ভারসাম্য বজায় রেখে নাতি-নাতনিদের পাশে থাকাই প্রবীণদের সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে সবচেয়ে বেশি সহায়ক হতে পারে।