https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুনের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে একই সঙ্গে বারবার একই ধরনের ঘটনার পেছনে অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার গাফিলতি রয়েছে কি না, সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।
রোববার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তদন্তের অগ্রগতি এবং কার্গো এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বেবিচকের চেয়ারম্যান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করে প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও তদন্ত প্রয়োজন।
ঘটনাস্থল থেকে সিগারেটের অবশিষ্টাংশও উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজে আগুন লাগার সময় সেখানে থাকা দুই ব্যক্তির আচরণে তীব্র আতঙ্কের কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়নি। এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, সব আলামত ও তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রকৃত কারণ তুলে ধরা হবে।
অগ্নিকাণ্ডের পর প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটের ধারণা পাওয়া গেছে। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি বারবার শর্ট সার্কিটের কারণেই আগুন লাগে, তাহলে এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতি রয়েছে। তিনি বলেন, আগের অগ্নিকাণ্ডের তদন্তেও শর্ট সার্কিটের কথা বলা হয়েছিল। তাহলে কোথাও না কোথাও সমস্যা রয়েছে, সেটি আমাদের স্বীকার করতে হবে। তিনি আরও জানান, তদন্তে কারও অবহেলা বা দায়িত্বহীনতার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, বর্তমান পর্যবেক্ষণ কেবল প্রাথমিক। কারও দায়-দায়িত্ব বা অবহেলা ছিল কি না, তা চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পরই স্পষ্ট হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
গত শুক্রবার রাতে বিমানবন্দরের কার্গো বিভাগের ৯ নম্বর গেটসংলগ্ন একটি কুরিয়ার কনটেইনারে আগুন লাগে। বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট ও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
| S | M | T | W | T | F | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | ||||||
| 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 |
| 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 |
| 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 |
| 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | 29 |
| 30 | 31 | |||||