ঢাকা
২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
২১ নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করছে ইউএস-বাংলা, পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন গ্রুপ হওয়ার পথে সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই, আপিল বিভাগের আদেশ নির্দিষ্ট মামলা না থাকলে শ্যোন অ্যারেস্ট নয়, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ধাক্কায় প্রযুক্তি খাতের শেয়ারবাজার নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু, দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা বিশ্বকাপ বিতর্কে নতুন মোড়, ব্রাজিলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ মিলেইয়ের জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত বেড়ে ১৩ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মধ্যরাতের বৈঠকের পর অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট প্রত্যাহার

রাশিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল কিয়েভ

ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬   ১৫ বার পঠিত
রাশিয়ার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কেঁপে উঠল কিয়েভ

ছবি: -সংগৃহীত

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। হামলার সময় শহরের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে বিমান হামলার সতর্কতাসূচক সাইরেন বেজে উঠলে বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যান।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, তাদের কিয়েভে অবস্থানরত সাংবাদিকরা পরপর দুই দফা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। প্রথম দফার কয়েক মিনিট পরই দ্বিতীয় দফায় আরও বিস্ফোরণ ঘটে, যা রাজধানীজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানান, রাশিয়া রাজধানী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। তিনি নগরবাসীকে নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করার আহ্বান জানান।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাশিয়া নিয়মিতভাবে কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে অতিদ্রুতগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করায় ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নতুন চাপ তৈরি হয়েছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহেও রাশিয়ার এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভের আকাশে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে এবং শহরজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।

অন্যদিকে, এই হামলার একদিন আগে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দক্ষিণ রাশিয়ার কয়েকটি তেল শোধনাগার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হেনে রাশিয়ার যুদ্ধ সক্ষমতার ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে ইউক্রেন এ ধরনের হামলা অব্যাহত রেখেছে।