https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইউক্রেনের হামলার পর পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল তেহরান। তবে কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত হয় বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।
বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শনিবার কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় এক বেসামরিক নাবিক নিহত হন। এর জবাবে ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগরীয় একটি বন্দরে ছোট বিস্ফোরকবাহী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিয়েছিল ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এ হামলা মূলত প্রতীকী বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যেতে পারত। বিশেষ করে রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার অভিযোগে আগে থেকেই ইরান আন্তর্জাতিক নজরদারির মধ্যে রয়েছে।
গত রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, পণ্যবাহী জাহাজে ইউক্রেনের হামলা জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।
তবে পরে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সাইবিহার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন আরাঘচি। ওই আলাপে ইউক্রেন জানায়, জাহাজে হামলাটি অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং তারা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি জানান, ইরানও উত্তেজনা বাড়াতে আগ্রহী নয়। তবে বেসামরিক ব্যক্তি ও স্থাপনায় হামলা তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেন তিনি।
নিউইয়র্ক টাইমস আরও জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন। আলোচনায় উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাব্য উপায় নিয়ে মতবিনিময় হয়।