https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
স্পেনের ভবিষ্যৎ রানি রাজকন্যা লিওনর ও বার্সেলোনার মিডফিল্ডার পাবলো গাভিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বাস্তবে এই দাবির কোনো সত্যতা নেই।
এই গুঞ্জনের শুরু ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সময়। স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে গিয়ে গাভির কাছে একটি ছোট আকারের স্পেনের জার্সিতে স্বাক্ষর নেন। জার্সিটি রাজকন্যা লিওনরের জন্য নেওয়া হয়েছিল—এমন জল্পনা থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গল্প ছড়িয়ে পড়ে।
পরবর্তীতে ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ের পর রাজপরিবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গাভি ও লিওনরের করমর্দনের ভিডিও ভাইরাল হয়। সেই ভিডিওতে রোমান্টিক সংগীত ও সম্পাদনা যোগ করে অনেকেই তাদের প্রেমের গল্প হিসেবে উপস্থাপন করেন।
এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, গাভি নাকি নিজের ফুটবল ক্যারিয়ার রক্ষার জন্য রাজকন্যা লিওনরের ভালোবাসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্তু এই দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
বাস্তবতা হলো, রাজকন্যা লিওনর ও গাভির মধ্যে কোনো রোমান্টিক সম্পর্কের তথ্য কখনও নিশ্চিত হয়নি। স্পেনের রাজপ্রাসাদ কিংবা গাভি—কেউই এমন কোনো সম্পর্কের কথা স্বীকার বা উল্লেখ করেননি। তাদের সব সাক্ষাৎই ছিল রাষ্ট্রীয় ও আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের অংশ।
অন্যদিকে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গাভি দীর্ঘদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার আনা পেলায়োর সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। মাঠের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের পর তাদের একসঙ্গে উদযাপন করতেও দেখা গেছে।
মাত্র অল্প বয়সেই বার্সেলোনার লা মাসিয়া একাডেমি থেকে উঠে এসে স্প্যানিশ ফুটবলের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারে পরিণত হয়েছেন গাভি। ২০২২ সালে তিনি কোপা ট্রফি ও গোল্ডেন বয় পুরস্কার জেতেন। ২০২৩ সালের গুরুতর এসিএল চোট কাটিয়ে ফিরে এসে আবারও বার্সেলোনা ও স্পেন জাতীয় দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
অন্যদিকে, স্পেনের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী রাজকন্যা লিওনর বর্তমানে সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করছেন এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি নিয়মিত রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্পেনের প্রতিনিধিত্বও করছেন।