https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
বাংলা গানের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন জনপ্রিয় শিল্পী কনকচাঁপা। জ্যেষ্ঠ এই শিল্পীকে শুধু সংগীতশিল্পী নয়, একটি ‘ইনস্টিটিউট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সাবিনা ইয়াসমিন ৭২ বছর পূর্ণ করে ৭৩ বছরে পা দিয়েছেন। এ উপলক্ষে নিজের ফেসবুক পেজে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে তোলা একটি ছবি প্রকাশ করে আবেগঘন বার্তা দেন কনকচাঁপা।
কনকচাঁপা লেখেন, ‘সাবিনা ইয়াসমিন। একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট।’ এরপর তিনি লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সাঈদের একটি স্মৃতিচারণ তুলে ধরেন। সেখানে বলা হয়, কোকিল বসন্তে গান গায়, কিন্তু সারা বছর সুরে মানুষকে মাতিয়ে রাখেন যে পাখি, তিনি সাবিনা ইয়াসমিন।
এই প্রসঙ্গে কনকচাঁপা বলেন, সাবিনা ইয়াসমিন শুধু সারা বছর নয়, সারাজীবন তার গানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষকে ডুবিয়েছেন, ভাসিয়েছেন ও উজ্জীবিত করেছেন। পরিণত বয়সেও কীভাবে তিনি কণ্ঠের সেই জাদু ধরে রেখেছেন, সেটি গবেষণার বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সাবিনা ইয়াসমিনের সংগীতজীবনের নানা দিক তুলে ধরে কনকচাঁপা বলেন, ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’—এই তিনটি কালজয়ী গানই তার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ হিসেবে যথেষ্ট।
জ্যেষ্ঠ শিল্পীর জন্মদিনে কনকচাঁপা তার সুস্থতা, সুখ, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য দোয়া করেন।
১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা সংগীতকে সমৃদ্ধ করে আসছেন। ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার কণ্ঠ দেওয়ার যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১০ হাজারের বেশি গান রেকর্ড করেছেন তিনি। সংগীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৮৪ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার পান এই কিংবদন্তি শিল্পী। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও রেকর্ডসংখ্যকবার শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পীর সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।