https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা আলোচনার অগ্রগতির কারণে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে নতুন চাপে পড়েছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। এতে তার ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যৌথ সামরিক কৌশলের মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারের যে পরিকল্পনা ছিল, তা এখন সমঝোতার কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেলআবিবের অবস্থানগত দূরত্বও বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত চুক্তিটি তাদের জন্য “চিন্তার বিষয়”। তাদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিষয়গুলো আলোচনায় যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ৬০ দিনের আলোচনার মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির দিকে অগ্রসর হওয়া হবে, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
তবে ইসরায়েলি পর্যবেক্ষকদের আশঙ্কা, আলোচনা দীর্ঘায়িত হলে ইসরায়েলের সামরিক প্রতিক্রিয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান নাও হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে নিজের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরলেও এই নতুন পরিস্থিতি নেতানিয়াহুর জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হতে পারে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তার অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে।