https://timenewsbangla.com

ছবি: -সংগৃহীত
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তিন মাসের সংঘাত শেষে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেখানে উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয় হিসেবে ঘটনাটিকে উপস্থাপন করছে। ইরানি পক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কঠোর সামরিক চাপ, অবরোধ ও হামলা সত্ত্বেও দেশটি তার রাজনৈতিক কাঠামো, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং পারমাণবিক কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ অক্ষত রাখতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ, জব্দকৃত সম্পদ ফেরত এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো কূটনৈতিক সাফল্যের কথাও তারা তুলে ধরছে।
অন্যদিকে, পশ্চিমা ও মার্কিন অবস্থান অনুযায়ী, এই সমঝোতা মূলত উত্তেজনা কমানোর একটি কৌশলগত পদক্ষেপ, যেখানে ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত রাখার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, চুক্তির প্রকৃত প্রভাব ও শর্ত নিয়ে পক্ষভেদে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে।
সংঘাত চলাকালে উভয় পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা ও পাল্টা হামলার দাবি করেছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুতরভাবে অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পরে কূটনৈতিক উদ্যোগ ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাপ্রবাহ থেকে স্পষ্ট যে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য, জ্বালানি সরবরাহ পথ এবং পারমাণবিক ইস্যু ভবিষ্যতেও বৈশ্বিক রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে।